🔹🔸 আগামী পহেলা এপ্রিল থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার মান বেশ বৃদ্ধি ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার মান কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে। তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে পশ্চিমাঞ্চলের কোথাও কোথাও মৃদু থেকে মাঝারি তাপ প্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে৷ এসময় এ দেশের সার্বিক বৃষ্টিপাত তুলনা মূলক কম থাকতে পারে। এবং এ সময় কোন বৃষ্টি বলয়ের সম্ভাবনা পাওয়া যায়নি। তবে এসময় সিলেট বিভাগ সহ দেশের দুই এক জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে কিছু বজ্র বৃষ্টি হতে পারে।🔹🔸

জাপানে করোনার কারণে শতাধিক কোম্পানি দেউলিয়া I

করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে জাপান জরুরি অবস্থা জারি করেছে। 


করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে জাপান জরুরি অবস্থা জারি করাই, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সংকুচিত হয়ে আসায় শতাধিক কোম্পানি নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করেছে।

করোনাভাইরাস ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের কোম্পানির ওপর বড় ধরনের আঘাত হেনে চললেও জাপানের করপোরেট জগৎও এর প্রভাব থেকে মুক্ত নয়।
টোকিওর শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত অনেক কোম্পানি ইতিমধ্যে এদের ব্যবসায়িক পারদর্শিতার হিসাব নিম্নমুখী করে নিয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে শেয়ারবাজারের ওপর এর প্রভাব লক্ষ করা যাবে। অর্থনীতিবিদেরা ধারণা করছেন, করোনাভাইরাস সংকটের ফলে জাপানের বিক্রয় খাতের লোকসানের মোট পরিমাণ তিন লাখ কোটি ইয়েন বা ২ হাজার ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যাবে এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের নিট মুনাফা হ্রাস পাবে ২ লাখ কোটি ইয়েনের বেশি।
৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দেউলিয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হচ্ছে হোটেল ব্যবসা (২৪)। বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের তাণ্ডব চলতে থাকায় জাপানে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা এখন প্রায় শূন্যের কাছাকাছি নেমে এসেছে। অন্যদিকে জরুরি অবস্থায় লোকজন ঘরে বন্ধ থাকায় অভ্যন্তরীণ পর্যটন বেহাল অবস্থায়।
ফলে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে মূলত ছোট আকারের অনেক হোটেল ও জাপানি ধাঁচের পান্থশালা।
একই অবস্থার মুখে পড়েছে রেস্টুরেন্ট ব্যবসাকেও। টিকে থাকতে তারা হোম ডেলিভারি সার্ভিসসহ নানা সেবা চালু করেছে। কিন্তু প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে অধিকাংশের জন্য সমস্যা হচ্ছে।
করোনা সংকট শুরু হওয়ার প্রাথমিক পর্যায়ে, ফেব্রুয়ারি মাসে করোনাভাইরাসের ফলে দেউলিয়া ঘোষণা করা কোম্পানির সংখ্যা ছিল মাত্র দুটি। মার্চ মাসে সেই সংখ্যা বেড়ে ২৩টিতে দাঁড়ায় এবং শোকো রিসার্চের সর্বশেষ হিসাবে এপ্রিল মাসের সংখ্যা দেখানো হয়েছে ৮৪টি। এই ১০৯টি কোম্পানির মধ্যে ২৬টি হচ্ছে টোকিও-ভিত্তিক এবং এর পরে আছে হোক্কাইডো, পর্যটকের আগমন শূন্যে ঠেকে যাওয়ায় ১১টি পর্যটকনির্ভর কোম্পানি, যেখানে ইতিমধ্যে নিজেদের ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছে।

Previous Post Next Post
বাংলাদেশ প্রতিদিন